কমিউনিটি ভিত্তিক ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা

Community-based Risk Assessment (CRA) and Risk Reduction Action Plan (RRAP)

বাস্তবায়নেঃ বৈলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
Implementation: বৈলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম

2026

1. পটভুমি (Background)
1.1. জনগোষ্ঠীর ঝুকি নিরূপুপ (Community Risk Assessment)
1.2. পুর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম (Forecast-based Early Action)
1.3. প্রক্রিয়ায় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম কার্যক্রম অন্তর্ভুক্তকরণ (Integration of FbA into CRA process)
2. এলাকা পরিচিতি (Area Profile)
2.1. জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের আপদ ও দুর্যোগের সংক্ষিপ্ত বিবরন (Brief description of Hazard and disasters of the District, Sub-districts, and Unions)
2.2. ইউনিয়ন পরিচিতি (Union Profile)
3. সিআরএ পদ্ধতি ও ধাপ সমূহ (Process and steps of CRA)
3.1. আপদ, দুর্যোগ, উন্মূক্ততা, বিপদাপন্নতা, ও ঝুঁকি (Hazard, Disaster, Exposure, Vulnerability, and Risk)
3.2. সিআরএ পদ্ধতি ও ধাপ সমূহ (Steps of CRA)
3.3. তথ্য সংগ্রহ, প্রতিবেদন প্রস্তুত প্রনালী ও কৌশল (Data Collection and Reporting)
3.4. সিআরএ-তে এফবিএ এর সংযোজন প্রক্রিয়া (Integration of FbA to CRA)
4. জনগোষ্ঠীর সম্পদ ও ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণ (Identification of community Risk and Resources, and Risk analysis)
4.1. ইউনিয়নের সম্পদ ও ঝুঁকির চিত্র (Risk and Resource Map)
4.2. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি (Hazard Calendar)
4.3. ইউনিয়নের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সে (Hazard and vulnerable Sectors of the Union)
4.4. ইউনিয়নের বিপদাপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত ওয়ার্ড (Vulnerability of the unions and affected ward)
4.5. ইউনিয়নের জীবিকার মৌসুমি দিনপঞ্জি (Livelihood calendar)
4.6. জীবিকার উপর দুর্যোগের প্রভাব বা বিপদাপন্নতা (Disaster impacts on livelihoods and their vulnerabilities)
4.7. ইউনিয়নের দুর্যোগের ঐতিহাসিক সময়রেখা ও প্রবণতা (Historical Timeline for Different Hazards)
5. ইউনিয়নের আগাম কার্যক্রম ও ঝুঁকি হ্রাসকরন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন (Anticipatory Action and Risk Reduction Action Plan)
5.1. ইউনিয়নের আপদ, সৃষ্ট সমস্যাবলী ও তার কারন্সমূহ (Hazards, problems and causes)
5.2. সেক্টর/খাত ভিত্তিক ঝুঁকি বিন্যাস বা অগ্রাধিকরন (Sector wise Risks analysis and prioritization)
5.3. আগাম কার্যক্রম সহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা (Risk reduction action plan including Early Action)
5.4. সহযোগিতায় (Powered by)

1. পটভুমি (Background)

1.1. জনগোষ্ঠীর ঝুকি নিরূপুপ (Community Risk Assessment)
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।

জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
1.2. পুর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম (Forecast-based Early Action)
পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম/ফোরকাষ্ট বেজড আর্লি এ্যাকশন (এফবিএ) হলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি নতুন ও উদ্ভাবনী পন্থা, যার মাধ্যমে আপদ বা দুর্যোগের আগাম পূর্বাভাস জেনে এলাকার জনগোষ্ঠী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বা কর্মসূচী নিতে সক্ষম হয়। সাধারণত: আগাম কার্যক্রম নির্ভর করে স্থানীয়ভাবে প্রযোজ্য ও নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস এবং আগের থেকে নির্ধারিত/প্রয়োগযোগ্য ট্রিগার অথবা থ্রেসহোল্ড। এছাড়াও প্রয়োজন সকলের ভুমিকা ও দায়িত্বাবলী সম্বলিত নির্দেশাবলী/প্রোটোকল এবং অর্থায়ন প্রক্রিয়াসহ একগুচ্ছ কাজ। যদিও পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম নিয়ে কিছুটা আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে তবে প্রাতিষ্ঠানিক ও জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, তাদের সহনশীলতা বৃদ্ধি ও ফলস্বরূপ দুর্যোগের অভিঘাত হ্রাসের জন্য পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম বিষয়টিকে আরও পর্যাপ্ত ও বাস্তব প্রমান জোগাড় করতে হবে।
1.3. প্রক্রিয়ায় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম কার্যক্রম অন্তর্ভুক্তকরণ (Integration of FbA into CRA process)
বর্তমান উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা সিআরএ-এর বিভিন্ন ধাপ ও প্রক্রিয়ার ভিতর পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম (এফবিএ)কে অন্তর্ভূক্ত করার মাধ্যমে স্থানীয় ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রনয়ণ করার উদ্দেশ্যে। আশা করা যায় যে, ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনায় আগাম কার্যক্রম অন্তর্ভূক্ত করে উক্ত কর্মপরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে দুর্যোগে এলাকার জনগোষ্ঠীর ক্ষয়-ক্ষতি আরও হ্রাস করা সম্ভব হবে। দুর্যোগে যে খাত/সেক্টরগুলো বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং জীবন-জীবিকার সাথে সরাসরি জড়িত সেগুলোকে এ উদ্যোগে একটু বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে যেমন; ১. কৃষি, প্রাণী সম্পদ ও মৎস্য সম্পদ; ২. স্বাস্থ্য (পানি বাহিত রোগ), পানি, পয়:নিষ্কাষণ ও পরিষ্কার-পরি”ছন্নতা; ৩. শিক্ষা; ৪. জেন্ডার ও অন্তর্ভূক্তীকর এবং ৪. অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।

2. এলাকা পরিচিতি (Area Profile)

2.1. জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের আপদ ও দুর্যোগের সংক্ষিপ্ত বিবরন (Brief description of Hazard and disasters of the District, Sub-districts, and Unions)
2.2. ইউনিয়ন পরিচিতি (Union Profile)
বিবরণ পরিমাণ বিবরণ পরিমাণ

3. সিআরএ পদ্ধতি ও ধাপ সমূহ (Process and steps of CRA)

3.1. আপদ, দুর্যোগ, উন্মূক্ততা, বিপদাপন্নতা, ও ঝুঁকি (Hazard, Disaster, Exposure, Vulnerability, and Risk)

আপদ (Hazard)
আপদ হল এমন কোন অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক নিয়মে, কারিগরি ত্রুটির কারণে অথবা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট হয়ে থাকে এবং ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত হয়। এর ফলে জীবিকা নির্বাহের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের ভয়াবহ ও অপূরণীয় ক্ষতিসহ দুঃখ দুর্দশার সৃষ্টি হয়। আপদ সাধারণতঃ নিজেদের/স্থানীয় সম্পদ দ্বারা মোকাবেলা করা যায় এবং বাইরের (যেমন; দাতা সংস্থার) সাহায্য বা অনুদান প্রয়োজন হয় না।

দুর্যোগ (Disaster)
দুর্যোগ হল প্রকৃতি বা মানবসৃষ্ট অথবা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট এমন কোন ঘটনা, যার ব্যাপকতা ও ভয়াবহতা আক্রান্ত এলাকার ফসল, গবাদি পশু, পাখি, মৎস্যসহ ও গাছপালা, জনগোষ্ঠীর জীবন, জীবিকা, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, সম্পদ, সম্পত্তি ও পরিবেশের এরূপ ক্ষতিসাধন করে অথবা এরূপ মাত্রায় ভোগান্তির সৃষ্টি করে, যা মোকাবেলায় ঐ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সম্পদ, সামর্থ্য ও সক্ষমতা যথেষ্ট নয় এবং যা মোকাবেলার জন্য বাইরের যে কোন প্রকারের সহায়তা প্রয়োজন হয়। এভাবে বলা যায় যে, দুর্যোগ = আপদ + ক্ষয়ক্ষতি।

উন্মূক্ততা (Exposure)
আপদ-প্রবন এলাকায় অবস্থিত মানুষ, বিভিন্ন সম্পদ, অবকাঠামো, প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য বাস্তব উপাদান যা/যারা প্রতিনিয়ত আপদ/দুর্যোগের ক্ষয়-ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকে এমন একটি অবস্থাকেই উন্মূক্ততা বলা যেতে পারে।

বিপদাপন্নতা (Vulnerability)
বিপদাপন্নতা হল কোন জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক, ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বিদ্যমান এমন অবস্থা যা প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কোন সুনির্দিষ্ট আপদের প্রভাবে বা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সাথে জনগোষ্ঠীর খাপ খাইয়ে নেয়ার প্রত্যাশিত ক্ষমতাকে ভঙ্গুর, দুর্বল, অদক্ষ ও সীমাবদ্ধ করে।

ঝুঁকি (Risk)
ঝুঁকি হল আপদ, বিপদাপন্নতার উপাদান এবং পরিবেশের আন্তক্রিয়া বা নেতিবাচক সম্মিলন ও সক্ষমতার ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ক্ষতিকর অবস্থা।

3.2. সিআরএ পদ্ধতি ও ধাপ সমূহ (Steps of CRA)
সিআরএ গাইড অনুযায়ী জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা সিআরএ করার জন্য বেশ কয়েকটি মৌলিক/প্রধান ধাপ অনুসরণ করা হয়। বর্তমান সিআরএ কাজটি নি¤œলিখিত ১১টি ধাপ-এর মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়েছে এবং সেকেন্ডারি তথ্য সংগ্রহ দিয়ে শুরু করে তারপর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে।

সিআরএ গাইড অনুযায়ী জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা সিআরএ করার জন্য বেশ কয়েকটি মৌলিক/প্রধান ধাপ অনুসরণ করা হয়। বর্তমান সিআরএ কাজটি নি¤œলিখিত ১১টি ধাপ-এর মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়েছে এবং সেকেন্ডারি তথ্য সংগ্রহ দিয়ে শুরু করে তারপর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে।

3.3. তথ্য সংগ্রহ, প্রতিবেদন প্রস্তুত প্রনালী ও কৌশল (Data Collection and Reporting)

সিআরএ-এর মৌলিক নীতি অনুসরণ করে উপরোল্লিখিত ধাপসমূহ অনুযায়ী সামগ্রিক কার্যক্রমটিতে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপে বিশেষত দলীয় কাজগুলোতে অংশগ্রহণমূলক আলোচনার পাশাপাশি সকলকে নিয়ে হাতে-কলমে কাজ করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপেই হাতে-কলমে কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য ও মতামত জানা হয়েছে। সিআরএ পরিচালনার প্রশ্ন ও চেকলিষ্ট পরিশিষ্টে সংযোজন করা হয়েছে।

দলীয় কাজগুলো ইউনিয়ন/গ্রাম পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠান করা হয়েছে। মূল তথ্যদাতার সাক্ষাতকার (কেআইআই) প্রধানত সংশ্লিষ্ট উত্তর দাতার দপ্তর/অফিসে করা হয়েছে। সকল অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে, যেমন; মূল পরিচালনাকারী (সহায়তাকারী) ও সাহায্যকারী (সহ-সহায়তাকারী)-এর পূর্ব-আলোচনা, বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ ও তা তৈরি, অভিষ্ট উত্তর-দাতা/অংশগ্রহণকারীদের দাওয়াত দেয়া/নিশ্চিত করা ও ভেন্যু/অনুষ্ঠানস্থল ঠিক করা ইত্যাদি।

প্রতিটি ধাপ পরিচালনার জন্য একজন মূল পরিচালনাকারী (সহায়তাকারী) ও তাকে সহয়তার জন্য এবং আলোচনা লিপিবদ্ধ করার জন্য একজন সাহায্যকারী (সহ-সহায়তাকারী) ছিলেন। প্রতিটি ইউনিয়নে সিআরএ অনুষ্ঠান শেষে প্রাাপ্ত তথ্য, উপাত্ত, মানচিত্র, ছবি ও ফলাফল একত্র করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সিআরএ-এর প্রাথমিক প্রতিদেন প্রস্তুত করা হয়েছে যা ব্যবহার করে কনসালটেন্ট টীম প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য চুড়ান্ত সিআরএ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন।

3.4. সিআরএ-তে এফবিএ এর সংযোজন প্রক্রিয়া (Integration of FbA to CRA)

পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম (এফবিএ)কে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা সিআরএ-এর বিভিন্ন ধাপ-এ পর্যায়ক্রমিকভাবে সংযোজন করা হয়েছে। সিআরএ-এর সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় এফবিএ অন্তর্ভূক্ত করার কাজটি যাতে সফলভাবে সম্পন্ন করা যায় এইজন্যে প্রচলিত সিআরএ-এর প্রাসঙ্গিক ধাপগুলোতেই বিভিন্নভাবে এটি সংযোজন করার কৌশল নেয়া হয়েছে। মূলত প্রশ্ন ও আলোচনা এবং হাতে-কলমে কাজের মধ্যমে সংযোজন করার কাজটি সম্পন্ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর/বিভাগের উত্তরদাতার ধারনা জানা এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদানের সময়কালে, এফবিএ-এর প্রযোজ্য সময়ে, এফবিএ/আগাম কার্যক্রমের দিকগুলোকে তারা কিভাবে বিবেচনায় নিতে পারে সে বিষয়ে তাদের মতামত ও পরামর্শ জানা হয়।

স্থানীয় জনগোষ্ঠী দুর্যোগকালীন সময়ে, বিশেষত এফবিএ-এর প্রযোজ্য সময়ে, কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং কি কি সাহায্য ও সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তা নির্দিষ্ট দলে আলোচনা জানা হয়। এক্ষেত্রে জেন্ডার ও অন্তর্ভূক্তির বিষয়সমূহকে বিবেচনায় নেয়া হয়। সম্পদ ও ঝুঁকির মানচিত্রঃ অংশগ্রহণকারীদের সাথে মানচিত্র আঁকা ও ঝুঁকি চিহ্নিত করার সময় এফবিএ-এর জন্য প্রযোজ্য সময় এর গুরুত্ব দেয়া হয় যাতে ঐ সময় কালীন ঝুঁকিগুলোও আলোচনায় উঠে আসে। আগাম কার্যক্রম ও ঝুঁকি হ্রাস উপায় চিহ্নিত করা ও পরিকল্পনা প্রনয়ণঃ ইউনিয়ন পর্যায়ের জন্য আগাম কার্যক্রম ও ঝুঁকি হ্রাস উপায় চিহ্নিত করা ও পরিকল্পনা প্রনয়ণ, বিশেষ করে আগাম কার্যক্রম নির্বাচন ও পরিকল্পনা করার সময় এফবিএ নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা করা হয়।

4. জনগোষ্ঠীর সম্পদ ও ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণ (Identification of community Risk and Resources, and Risk analysis)

4.1. ইউনিয়নের সম্পদ ও ঝুঁকির চিত্র (Risk and Resource Map)

অত্র এলাকার সামাজিক সকল উপাদান, আপদ, দুর্যোগ ও সম্পকৃত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে সার্বিক জ্ঞান লাভ করতে জনগোষ্ঠীর সম্পদ ও ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করার দলীয় আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু করার পূর্বেই একটি দল এলাকা পরিভ্রমন করেন। তারপূর্বে ইউনিয়নের আপদ, দুর্যোগ বিষয়ে সেকেন্ডারি তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ, মূল তথ্য প্রদানকারীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও নির্দিষ্ট দলে আলোচনা করা হয়েছিল। যে সব সামাজিক অবকাঠামো ও সম্পদ দেখা হয়েছে তা হলো হাটবাজার, স্কুল, কলেজ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ব্রীজসহ অন্যান্য অবকাঠামো ও স্থাপনা। তাছাড়াও ফসলের ক্ষেত, নদী, খাল, বিল, প্রাণী সম্পদ, মৎস্য খামার, ইত্যাদি এবং যেসব স্থান দুর্যোগ আক্রান্ত হয়ে কি ধরনের ক্ষয়খহতি হয়, কোথায় বেশী ক্ষত, নদী ভাঙ্গনে কোন গ্রাম বা এলাকা সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয় ইত্যাদি জানার চেষ্টা করা হয়েছে। ইউনিয়নের মানচিত্রে সীমানা নির্ধারণ করা হয়। এরপর উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা সকলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ওয়ার্ড ভিত্তিক সীমানা এবং এলাকার গ্রাম, বসতবাড়ি, ভৌত অবকাঠামো, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন, স্কুল, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র (ফ্লাড সেল্টার), প্রধান প্রধান রাস্তা এবং নদী-খাল-বিল, ইত্যাদির এবং দুর্যোগে ক্ষতিগ্রন্ত অবস্থান প্রতীক চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করে মানচিত্র অংকন করেন। ইউনিয়নের সংঘটিত আপদ, দর্যোগ, ঝুঁকি ও সম্পদের বিস্তারিত বর্ণনা সম্পদ ও ঝুঁকির মানচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হল।

সম্পদ ও ঝুঁকি মানচিত্র আঁকার সময় অয়শগ্রহণকারীদের সাথে আলোচনা থেকে সম্পদের যে তালিকা পাওয়া গেছে তা নিম্নরূপ:

সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান সংখ্যা ওয়ার্ড নং সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান সংখ্যা ওয়ার্ড নং

সেকেন্ডারি তথ্য, মূল তথ্য প্রদানকারীর সাক্ষাৎকার, নির্দিষ্ট দলে আলোচনা ও মানচিত্রটি থেকে প্রতিয়মান হয় যে, অত্র ইউনিয়নে নিম্নলিখিত কয়েকটি আপদ রয়েছে যা প্রায়শই দুর্যোগে পরিনত হয়, যেমন:

Rank Hazard

সকলরে মতামতরে ভত্তিতিে ইউনয়িনরে প্রধান প্রধান র্দুযোগগুলোকে ওর্য়াড র্পযায়ে র‍্যাংকিং করা হয়েছে।

দুর্যোগ ওর্য়াড ১ ওর্য়াড ২ ওর্য়াড ৩ ওর্য়াড ৪ ওর্য়াড ৫ ওর্য়াড ৬ ওর্য়াড ৭ ওর্য়াড ৮ ওর্য়াড ৯
4.2. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি (Hazard Calendar)

বছররে বভিন্নি মাসে ইউনযি়নটতিে সংঘটতি র্দুযোগসমূহরে ধরন ও মৌসুম ভত্তিকি বশ্লিষেণ দখোনো হয়েছে। পাহাড়ি ঢল মে থকেে আগস্ট মাস র্পযন্ত সংঘটতি হয়। বন্য হাতরি আক্রমণরে ঘটনা প্রায় সারা বছরই ঘটে থাকে  বশিষে করে শুষ্ক মৌসুমে (নভম্বের থকেে এপ্রলি)। পাহাড় ধসরে ঘটনা জুন-জুলাই মাসে বেশি ঘটে বৃক্ষ নধিনরে ঘটনা নভম্বের থাকে এপ্রলি মাস র্পযন্ত চলে।

র্ঘূণঝিড় মূলত এপ্রলি-মে ও অক্টোবর-নভম্বের মাসে বশেি সংঘটতি হয়। অগ্নকিাণ্ডরে ঝুঁকি ডসিম্বের থকেে এপ্রলি মাস র্পযন্ত শুষ্ক মৌসুমে দখো যায়। ডঙ্গেু রোগরে প্রার্দুভাব সাধারণত র্বষার শষে থকেে শুরু হয়ে শীতরে প্রথম র্পযন্ত (সেপ্টেম্বর থাকে ডিসেম্বর) বস্তিৃত থাকে

র্সাবকিভাবে দখো যায়, মে থকেে আগস্ট মাস র্পযন্ত পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসরে মতো র্দুযোগ ঘটে অন্যদকিে নভম্বের থকেে এপ্রলি র্পযন্ত সময়ে বনাঞ্চলরে ক্ষয় (বৃক্ষ নধিন), অগ্নকিাণ্ড ও বন্য হাতরি আক্রমণ উল্লখেযোগ্য। এসব তথ্য র্দুযোগ ব্যবস্থাপনা পরকিল্পনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ।

দুর্যোগ Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec
4.3. ইউনিয়নের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সে (Hazard and vulnerable Sectors of the Union)

উপরোক্ত আপদসমূহ অত্র ইউনিয়নের প্রায় সব খাত/সেক্টরকেই কম-বেশী বিপদাপন্ন করে তোলে, যা নিম্ন লিখিত ছকে প্রকাশ করা হয়েছে। যে খাত/সেক্টর যে আপদে বিপদাপন্ন হয়, তা চিহ্ন (✓) দিয়ে বুঝানো হয়েছে ।

ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি ঢল, নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, পাহাড় ধ্বস , বন্যা এবং বন্য হাতির আক্রমণ এসব দুর্যোগ সরাসরি একাধিক সেক্টরের উপর প্রভাব ফেলে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষি/ফসল, প্রাণিসম্পদ, মৎস্যসম্পদ, পানি ও পরিবেশ সংক্রান্ত খাতগুলো অধিকাংশ দুর্যোগে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি ঢল সাধারণত কৃষি, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোতে সরাসরি ক্ষতির কারণ হয়। নদী ভাঙন ও ঘূর্ণিঝড় কৃষিজমি, ঘরবাড়ি এবং শিক্ষা খাতকে প্রভাবিত করে।

পাহাড় ধ্বস জনস্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর উপর ঝুঁকির সৃষ্টি করে এবং বন্যা প্রায় সব সেক্টরে নানামাত্রিক প্রভাব ফেলে। বিশেষভাবে, বন্য হাতির আক্রমণ কৃষি, বসতবাড়ি এবং প্রাণিসম্পদের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা দেয়।

দুর্যোগ কৃষি/ফসল প্রাণী সম্পদ মৎস্য সম্পদ স্বাস্থ্য পানি
পয়:নিষ্কাশন
ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
জেন্ডার
ও অন্তর্ভূক্তিকরণ শিক্ষা
অবকাঠামো
ও যোগাযোগ ব্যবস্থা
অন্যান্য
4.4. ইউনিয়নের বিপদাপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত ওয়ার্ড (Vulnerability of the unions and affected ward)

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুর্যোগের প্রভাব ও ঝুঁকির মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন। ওয়ার্ড ১ ও ২ কে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটে থাকে। এসব এলাকায় বসবাসকারী জনগণ, অবকাঠামো ও কৃষিজমি নিয়মিতভাবে দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকে। ওয়ার্ড ৩, ৪, ৫ ও ৬-এ পাহাড়ি ঢলের পাশাপাশি বন্যা ও বন্য হাতির আক্রমণ ঘন ঘন ঘটে থাকে।

পাহাড় ধসের ঝুঁকিও এখানে রয়েছে, বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে। ফসল, ঘরবাড়ি এবং বনসংলগ্ন জনপদ এই দুর্যোগে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওয়ার্ড ৭, ৮ ও ৯-এ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের প্রবণতা রয়েছে, যদিও দুর্যোগের মাত্রা কিছুটা কম, তবুও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা থেকেই যায়।

ওয়ার্ড নং দুর্যোগে বিপদাপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিবরন

 

4.5. ইউনিয়নের জীবিকার মৌসুমি দিনপঞ্জি (Livelihood calendar)
সব সময় কাজ থাকেঃ ________
মাঝে মাঝে কাজ থাকেঃ _ _ _ _ _ _ _
একদম কাজ থাকে নাঃ (ফাঁকা, দাগ নাই)
Can work round the month: ________
Can work sometimes: _ _ _ _ _ _ _
No work at all: (Empty)
জীবিকার/আয়-উপার্জনের উপায়সমূহ বৈশাখ জৈষ্ঠ্য আষাঢ় শ্রাবন ভাদ্র আশ্বিন কার্ত্তিক অগ্রহায়ন পৌষ মাঘ ফাল্গুন চৈত্র
4.6. জীবিকার উপর দুর্যোগের প্রভাব বা বিপদাপন্নতা (Disaster impacts on livelihoods and their vulnerabilities)
জীবিকার/আয়-উপার্জনের উপায়সমূহ
খুব বেশী বিপদাপন্নঃ XXX মোটামুটি বিপদাপন্নঃ XX কম বিপদাপন্নঃ X বিপদাপন্ন নয়ঃ
4.7. ইউনিয়নের দুর্যোগের ঐতিহাসিক সময়রেখা ও প্রবণতা (Historical Timeline for Different Hazards)
দুর্যোগের নাম ২০০০-২০০৫ ২০০৬-২০১০ ২০১১-২০১৫ ২০১৬-২০২০ ২০২১-২০২৫ মন্তব্য/ ফ্রিকোয়েন্সি

5. ইউনিয়নের আগাম কার্যক্রম ও ঝুঁকি হ্রাসকরন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন (Anticipatory Action and Risk Reduction Action Plan)

5.1. ইউনিয়নের আপদ, সৃষ্ট সমস্যাবলী ও তার কারন্সমূহ (Hazards, problems and causes)

ইউনযি়নরে প্রধান প্রধান র্দুযোগরে ফলে সৃষ্ট সমস্যা এবং এর পছেনরে কারণসমূহকে চহ্নিতি করা হয়ছেে যাতে করে ক্ষয়ক্ষতি রোধ ও র্কাযকর পদক্ষপে গ্রহণে সহায়ক পরকিল্পনা গ্রহণ করা যায়।

আপদ খাত/সেক্টর সৃষ্ট সমস্যাবলী সমস্যা সৃষ্টির কারনসমূহ
5.2. সেক্টর/খাত ভিত্তিক ঝুঁকি বিন্যাস বা অগ্রাধিকরন (Sector wise Risks analysis and prioritization)

ইউনিয়নের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন খাতভিত্তিক ঝুঁকির মাত্রা বিশ্লেষণ করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে, যা পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়ক হবে।

আপদ সেক্টর/ খাত সম্ভাব্য ঝুঁকি অগ্রাধিকার (১ - ৩)
5.3. আগাম কার্যক্রম সহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা (Risk reduction action plan including Early Action)

ঝুঁকি হ্রাস ও দুর্যোগের সম্ভাব্য প্রভাব কমাতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচের টেবিলে ইউনিয়নের ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা ও আগাম কার্যক্রমের ধরন, সময়কাল, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এবং সম্ভাব্য উপকারভোগীদের তালিকা উপস্থাপন করা হয়েছে।

  কখন            
  আগাম কার্যক্রম সময় কালীন ঝুঁকি হ্রাস সময় কালীন (মাস)            
ঝুঁকি হ্রাসের কার্যকরী উপায় /পদক্ষেপ
(Early Action/Risk Reduction Action plan)
০-৫ ৬-১০ ১১-১৫ ১৬-২০ ২১-৩০ সারা বছর কে/কোন ডির্পাটমেন্ট/ সংস্থার দায়িত্ব
(Responsible organization/ group/ person/ department)
কোথায় (ওর্য়াড)
Where (Wards)
অভিষ্ট জনগোষ্ঠী (সংখ্যা)
Target Population (Number)
সম্ভাব্য বাজেট (টাকা)
Probable Budget
প্রয়োজনীয় সহোযোগীতা
Necessary Support
বিবেচ্য বিষয়
Remarks
5.4. সহযোগিতায় (Powered by)